
বাংলাদেশে অফিশিয়ালি যাত্রা শুরু করল ইলন মাস্কের স্টারলিংক। ১৩ মে ২০২৫ থেকে দেশের যেকোনো প্রান্তে এখন পাওয়া যাবে আনলিমিটেড স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সংযোগ। যারা গ্রামীণ বা দুর্গম এলাকায় থাকেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে ডিজিটাল যুগের নতুন দিগন্ত।
স্টারলিংকের দুটি প্যাকেজ: সুবিধা ও মূল্য
স্টারলিংক বাংলাদেশে শুরুতেই চালু করেছে দুইটি রেসিডেনশিয়াল প্যাকেজ:
- স্টারলিংক রেসিডেন্স: মাসিক ৬,০০০ টাকা
- স্টারলিংক রেসিডেন্স লাইট: মাসিক ৪,২০০ টাকা
দুই প্যাকেজেই থাকবে:
- আনলিমিটেড ইন্টারনেট (কোনো ডেটা সীমা নেই)
- ৩০০ Mbps পর্যন্ত গতি
- ২৪/৭ নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ
এককালীন সেটআপ খরচ: যেকোনো প্যাকেজ নিতে হলে ৪৭,০০০ টাকা দিয়ে একটি কিট কিনতে হবে যাতে স্যাটেলাইট ডিশ, রাউটার ও তারসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকবে।
গ্রাম থেকে পাহাড় – দেশের সবখানেই ইন্টারনেট
বাংলাদেশের এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে ফাইবার অপটিক সংযোগ এখনো পৌঁছেনি। চর, পাহাড়ি এলাকা, সীমান্তবর্তী অঞ্চল কিংবা দূরবর্তী গ্রাম – স্টারলিংক সেখানে দ্রুতগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে পারবে। এটি দেশের ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কীভাবে সংযোগ পাবেন?
স্টারলিংকের সেবা নিতে হলে আপনাকে যেতে হবে Starlink.com ওয়েবসাইটে।
ঠিকানা দিয়ে অর্ডার প্লেস করুন
প্রি-পেমেন্ট বা রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হতে পারে
সংযোগ এলাকা নিশ্চিত হলে আপনার ঠিকানায় যন্ত্রপাতি পাঠানো হবে
ভবিষ্যতে দেশীয় প্ল্যাটফর্ম থেকেও সংযোগের আবেদন করা যাবে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের দৃষ্টিভঙ্গি
বিশ্লেষকরা মনে করেন, স্টারলিংক সবার জন্য নয়। তবে যারা:
- দুর্গম এলাকায় বসবাস করেন
- ব্যাকআপ ইন্টারনেট সংযোগ চান
- ব্যবসায়িক কারণে রিমোট লোকেশন থেকে কাজ করেন
তাদের জন্য এটি হতে পারে উপযুক্ত ও কার্যকর সমাধান।
❓প্রশ্নোত্তর: স্টারলিংক সম্পর্কে জানুন
Q1: স্টারলিংক ইন্টারনেট বাংলাদেশে কবে থেকে চালু হলো?
A1: ১৩ মে ২০২৫ থেকে।
Q2: মাসিক খরচ কত?
A2: রেসিডেন্স লাইট প্যাকেজে ৪২০০ টাকা, রেসিডেন্স প্যাকেজে ৬০০০ টাকা।
Q3: ডিভাইস চার্জ কত?
A3: যেকোনো প্যাকেজে ৪৭,০০০ টাকা এককালীন।
Q4: সর্বোচ্চ গতি কত?
A4: সর্বোচ্চ ৩০০ Mbps পর্যন্ত।
Q5: কোথা থেকে অর্ডার করা যাবে?
A5: সরাসরি Starlink.com থেকে।
সূত্র : অনলাইন
Post a Comment
If you any Question, Please contact us.